মঙ্গলবার, ২৫ মে, ২০১০

Australia reduces skill-based migration - Hindustan Times

Australia reduces skill-based migration - Hindustan Times

শনিবার, ২২ মে, ২০১০

কথন


আমার ছেলে কথন, এই বছরের ফেব্রুয়ারীর ১২ তারিখে জীবনের প্রথম বছরে পদার্পণ করে। ছেলেটার প্রতি মুহূর্তে বেড়ে উঠা আমি উপভোগ করি। ছেলের প্রতি বাবার যে বাবাময়তা প্রতি মুহূর্তে কাজ করে, তা আমি প্রতিটা সময় টের পাই।
ছেলেটা যখন পৃথিবীতে এসে কয়েক মিনিটের মাথায় তার বাবার দিকে না তাকিয়ে চারপাশের সম্পূর্ণ পৃথিবীর দিকে অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিল; আর সেই তখন আমি, ‘চারপাশের সম্পূর্ণ পৃথিবী’ ফেলে আমার বিস্ময়ভরা চোখে ছোট্ট শিশুটার দিকে তাকিয়ে ছিলাম। আমি অবাক করা চোখে ছেলের কপাল ছুয়ে যাওয়া সোজা সোজা চুল, বড় বড় চোখ, ছোট্ট নাকের পরে গোলাপী দুটো ঠোট – আমার সকল ভাললাগায় ছুয়ে গিয়েছিল।আমার বাবা আমারই পাশে দাড়িয়ে তার নাতিটার কানে আওয়াজ দিচ্ছিল আযান দিয়ে। আমার পরিবারের প্রত্যেকটা মানুষ প্রচণ্ড ভাললাগা নিয়ে তাকিয়ে ছিল আমার সন্তানের দিকে। সে যে কি আনন্দ আমার হৃদয় ছুয়ে যাচ্ছিল প্রতিক্ষনে, তা কেবল বাবারাই অনুভব করতে পারে।
ছেলে এখন ভালই হাটে, ঘুম থেকে উঠে প্রথমে একটা স্বর্গীয় হাসি দেবে বাবা-মার দিকে আর তারপরই বুক-পেট লাগিয়ে খাট থেকে ধাম করে নেমে পড়ে। এবং সেই যে হাঁটা শুরু হবে তা শেষ হবে রাতে ঘুমানোর আগে। সাথে তার একজন থাকতে হয়, নয়তো দুলকি চালে হাঁটতে গিয়ে, কখন যে কোথায় পড়ে তার ঠিক নাই। এইতো সেদিন হাতে টান খেলো, অফিস থেকে আসা মাত্র দেখি এই কাহিনী। তারাতারি ডাক্তারের কাছে গেলাম। আল্লাহ্র রহমতে একদিন পরেই ঠিক হয়ে গেলো। এরকম বিভিন্ন কাহিনী নিয়েই এখন তাকে নিয়ে সদা ব্যাস্ত। তবে এতে মনের আনন্দটা সব সময়ই তাকেই ঘিরে থাকে।
কথনের দাত উঠেছে ৮ টা, তাও আবার একমাসেই প্রায় ৬ টা দাত উঠেছে। দাত উঠার পর, দুনিয়ার তাবৎ জিনিষ তার খাদ্য বলে তার বিবেচনায় আসে। নিজের হাত, পা থেকে শুরু করে টেবিল, চেয়ার কিছুই বাদ যায় না। আমি এবং বাসার অন্যেরা সবাই মিলে চরম আশান্ত হয়ে তাকে বিভিন্ন ছলে-বলে কৌশলে আটকানোর চেষ্টা করি কিন্তু তার অধ্যবসায় থেকে তাকে দূরে সরানো দায়।
8
আমি আর আমার স্ত্রী দুজনই চাকুরী করি, কথনের ৪০ দিন হওয়ার পর থেকেই আমার সহধর্মিনী অফিস যাওয়া শুরু করে| বাসায় কথনের দাদী বা নানীর থাকতে হয় তার পরিচর্যার জন্য| এটা একটা মহা ঝামেলা, কারন আমি শুরু থেকেই আলাদা থাকি অফিসের কাছাকাছি এলাকায়, যাতায়াত সমস্যা থেকে পরিত্রাণের জন্য; অন্যদিকে ছুটির পার্থক্যের কারনে শুক্রবার আমি রাখি বাচ্চাকে, আর শনিবার দুজনই বাসায়, রোববার আবার বাবুর মা রাখে কথনকে। তবে শুক্রবার রাখতে গিয়ে আমার আর নামা্য পড়াটা আর হয়ে উঠে না। তবে বাপ-বেটার সময়টা বেশ ভালই কাটে; ছোটখাট খুনসুটি থেকে শুরু করে, মারামারি, নাচানাচি কিছুই বাদ যায় না। ছেলের সমস্যা হলো সে একই জিনিষে খুব বেশী আগ্রহ পায় না, তাই আমাদের ক্রমাগত তার খেলার জিনিষ বদলে দিতে হয়। জিনিষ বদলাতে গিয়ে নিত্য ব্যবহার্য হেন জিনিষ নাই যা তাকে দিতে হয় না। খুবই কম সময় নিয়ে সে পরিবর্তিত জিনিষটার সাথে খেলবে, তারপর ছুড়ে ফেলে দিবে।
একদিন খোমাখাতায় লিখেছিলাম, “বাচ্চা যে এতো জ্বালায় সে সম্পর্কে আমার কখনোই ধারণা ছিল না”। 
কারন সারারাত ব্যাপক জ্বালাতন করে সকাল বেলা অফিসে যাওয়ার একটু আগে ঘুম থেকে উঠে পড়ে। আসলে আমাদের সারাটা দিন দেখতে না পেয়ে তার মনটা অনেক খারাপ হয়। আমাদের মনটাও অস্থির হয়ে উঠে বাবুটাকে কাছে পাবার জন্য। আসলে সংসারের প্রবাহমানতায়, বিভিন্ন দিক মিলাতে গিয়ে বিভিন্ন মানষিক প্রশান্তি কখনই মিলানো যায় না। আর সেই সাথে আমরা সবাই ভাল থাকার ক্রমাগত চেষ্টায় প্রতিনিয়ত আক্রান্ত হই।তবে তবুও শেষ পর্যন্ত বলি ভাল আছি।

রবিবার, ১৬ মে, ২০১০

বাংলা গল্পের বই পাবেন এইখানে



# বাংলা গল্পের বই পড়ার জন্য বেশ কিছু সাইট-এর লিঙ্ক খুঁজে পেলাম এখানেঃ

কৃতজ্ঞতায় - জিরো গ্রাফিটি  (এটি একটি সংকলিত লিংকের ব্লগ)


বৃহস্পতিবার, ৬ মে, ২০১০

বিপ্লবীদের কথা ... অসাধারন একটি সাইট


আমরা বেশিরভাগ মানুষই বাংলা তথা বিশ্বের বিপ্লবীদের কথা জানিনা, জানবার জন্য অসাধারন একটা ওয়েব সাইটঃ http://www.biplobiderkotha.com

Sharing the Blog: Some Lab Projects from Giants


This blog contains some awesome labs project link from giants, read it:
http://www.somewhereinblog.net/blog/Fusion5/29145861

রবিবার, ২ মে, ২০১০

আইসক্রীম?


শীতকালে যখন তখন ঠান্ডা লেগে যাবার একটা ভয় আমার মধ্যে গৌণভাবে কাজ করে। যদিও তাই বলে দোকানের মজাদার আইসক্রিমে আমার কখনই অভক্তি আসে না। যেমন আমার সবকালের পছন্দ ঈগলুর ‘শেল অ্যান্ড কোর’; নতুন ‘দুধ মালাই’ নামে একটা আইসক্রিম এসেছে যেটা আসলেই মজাদার। এছাড়া করনেলীর ‘প্রীমিয়াম কোন’-টাও মজার। ইচ্ছে করেই দামী আইসক্রিম পারলার গুলার নাম উল্লেখ করতে ইচ্ছে করছে না, কারন সবার সাধারনতঃ অতটা পয়সা করে আইসক্রিমের স্কুপ বা ভেরিয়েশন খাওয়া হয় না।
ছোট্ট বেলায় আমাদের স্কুলের সামনে কাঠি দিয়ে আটকানো মাথায় গোল আকারের ছোট বা বড় দুই সাইজের সাদা আইসক্রিম বিক্রি করতো। পঞ্চাশ পয়সা বা এক টাকায় পাওয়া যেত বলে কাঠি ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে জিভ দিয়ে চেটে চেটে আইসক্রিম অনুভব করার যে আনন্দ হতো, সেটা বোধহয় আর পাওয়া যাবে না এ জীবনে।
আসলে আমাদের জীবনের গল্প গুলো এরকমই, যেন ঠান্ডা সময়ের ঠান্ডা গল্প। আমাদের জীবনের সময় এগিয়ে যায় আর আমরা প্রস্তুত হই জীবনের জমে যাওয়া গল্পগুলোকে বলে বা লিখে জমাট বাধাতে। গল্পগুলোও অনেকটা আইসক্রিমের ফ্লেভারের মতো, একেক সময় একেক অনুভূতি অনুভব করা যায়। আসলে পুরোটা জীবনই যেন আমাদের অনুভব করে যাওয়ার জন্য বরাদ্দ। এ সময় সাময়িক সময়কে এগিয়ে নেয়, আর আমাদের মাঝে যে দিন দিন চাঞ্চল্য কমে যাচ্ছে তার জানান দেয়।

নিজের সাথে লুকোচুরি ছাড়া এ যেন আর কিছু নয়



মাঝে মধ্যে নিজেকে বড্ড অসহায় মনে হয়; মনে হয় এ কোন দেশে জন্মালাম? নিজের সহজ বাকস্বাধীনতা যেখানে নেই, মিথ্যের প্রতিবাদ করার ক্ষমতা যেখানে নেই; বড্ড অসহায় মনে হয় তাই আমার এ দেশের পরতে পরতে। মানুষ খুব অদ্ভূত ভাবে মুহুর্তে মিথ্যা কথা বলে ফেলে, আমি অবাক হই। আবার সেই মিথ্যা নিয়েই জোরাজোরি করে, এতে আরো অবাক হই।খুবই খারাপ লাগে, মনে হয় - এতো পড়াশোনা, ভাল চাকুরি – এ সব করেই বা কি লাভ? সহজ কথাতো সহজ ভাবে বলতে পারছি না।চারপাশের মিথ্যের ছায়া এত বেশি অন্ধকার করে ফেলেছে, এখন যেন সত্যের আলো সহজে পৌছতে পারছে না আমাদের কাছে।
এমতাবস্থায় মন খারাপে আচ্ছন্ন হয়ে বাসায় বসে থাকা ছাড়া যেন আর কোন উপায় নেই। খুব অদ্ভুতভাবে দিনাতিপাত হয় তখন।নিষ্কলূষ হতাশা থেকে মুক্তি পাবার জন্য তখন খুজে বেরাতে হয় নানা সস্তা উপায়।
---------------------------------------------------------------------------------
*লেখাটি একান্তই নিজস্ব অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ, মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন।

অ=অফিস আ=আওয়াজ


ইদানিং অফিসগুলোতে বিভিন্নভাবে শব্দ দূষন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে open office culture শুরু হবার পর থেকে। সবচেয়ে বিরক্তিকর হচ্ছে, হঠাৎ করেই কিছু colleague-এর চিৎকার করে মুঠোফোনে কথা বলা। আবার অনেকেই তার অধীনে থাকা কর্মচারীকে ততোধিক আওয়াজে শাসন করা। এসব কিছুর সাথে আছে আর্তচিৎকারে বেজে উঠা ringtone, তখন মনে হয় কোথাও পালিয়ে যাই।
এসব থেকে রেহাই পেতে অনেক অনূরোধ, এমন কি চিহ্ন সম্বলিত ছবি টাঙিয়েও কোন লাভ হয় নাই। অনলাইনে সামান্য ঘুরে পেলাম আমাকে সাপোর্ট করে এমন কিছু তথ্য।৭০% অফিস কর্মচারীর মতে, উটকো আওয়াজ যদি কমানো যায় তবে সত্যিই কাজের productivity বাড়বে। মজার ব্যাপার হলো, মাত্র ১৯% কর্মচারীই ব্যাপারটি নিয়ে সজাগ। হায় কপাল আমি কেন সেই ১৯% এর মধ্যে পড়লাম! Extra sound-টা শুধু্যে বিরক্তিই উদ্রেক করে তাই নয়, সেই সাথে কাজের প্রতি আগ্রহ, efficiency এবং productivity-ও কমিয়ে দেয়।
Microsoft-এর Nick MacPhee (Vice President, Operations) একটা উক্তি করেছেন, "Would it be smart to save $5,000 over the course of a year by putting a highly valued, expensive employee in open space, where that person won't do the best possible job? We don't think so." (ইংরেজীতেই রাখলাম) আসলে cubical অফিস স্পেস করার সময় যদি শব্দ দূষন কিভাবে কমবে সেটা মাথায় রাখা হয়, আকর্ষনীয় আকৃতি থেকে; ব্যাপারটা খুবই কাজের হয়।
বিশেষ করে যারা software developer বা core technical/solution architect তাদের মাথায় সবসময় কমপক্ষে ২০টা জিনিষ মাথায় ঘুরপাক খায়; ঠিক এই সময় যদি পাশের সহকর্মী সচিৎকারে পারিবারিক বা যেকোন বিষয়ে কথা বলতে থাকে, যা আপনার সমস্ত চিন্তার পরিপন্থী; তখন সত্যিই আবার আমার মতো দৌড়ে পালাতে ইচ্ছা করবে।আরেকটি ব্যাপার এখানে বের হয়ে আসে, চিরাচরিত introvert (যারা চুপচাপ থাকতে ভালবাসে) এবং extroverts (যাদের কাছে আওয়াজটা আনন্দ দেয়) দের চারিত্রিকতা।'Irrelevant Speech Effect' বলতে সেই কথোপকথনকেই বোঝায় যেখানে বিরক্তি আর কাজের প্রতি অনীহার উদ্ভব করে।
শেষে এতটুকু বলতে পারি, জানিনা আমার অফিসের কতটুকু উন্নতি হবে, অন্তত এটুকু বলতে পারি technically বা non-technically, চেষ্টা চালিয়ে যান অথবা খেয়াল করুন আপনার কথা বলায় কারো অসুবিধা হচ্ছে কিনা।

IELTS-এর টুকিটাকি…



IELTS এর রেজিস্ট্রেশন এর আগে আপনি কিছু বিষয়ে আপনার অবস্থা যাচাই করে নিন।

 প্রথমেই, IELTS দেবার আগে জেনে নিন পরীক্ষার ফরম্যাট, মার্কস, কত পেলে কত ব্যান্ড হবে। সাধারনত প্রত্যেকটি পরীক্ষায় (লিখিত,পঠিত,কথোপকথন,শোনা) ৪০-এ ৩৪ এর উপর পেলে ৭ ব্যন্ড আসবে।এটাও জেনে নিন আপনার আসলে কত band score দরকার।
 বাংলাদেশে IELTS রেজিস্ট্রেশন করার জন্য আপনাকে যেতে হবে, ব্রিটিশ কাওন্সিল > http://www.britishcouncil.org/bangladesh-exams-ielts-venues-and-timetables.htm
অথবা আই,ডি,পি > http://www.bangladesh.idp.com
 ভাল প্রস্তুতির জন্য Cambridge IELTS প্রথমে শেষ করবেন; তারপর বাজার থেকে listening এর জন্য প্রায় সবগুলো বই শেষ করবেন। বৈচিত্রময় listening পার্ট সম্পর্কে ধারনা না থাকলে আসল পরীক্ষায় খারাপের সম্ভাবনা অনেক বেশি। মজার ব্যপার হলো ইদানিং GT-তে অস্ট্রেলিয়ার geography/wild life নিয়ে প্যারাগ্রাফ বেশি আসছে।
 পরীক্ষায় শুধু পেন্সিল দিয়ে লিখতে হবে, উত্তর upper case letter-এ লিখবেন, কাটা-ছেড়া যাতে না হয় সেদিকে খেয়াল রাখবেন।সাধারনত CoSonic-এর বড় headphone গুলো ব্যবহার করা হয় পরীক্ষায়; চেষ্টা করবেন practice-এর সময় তা ব্যবহার করতে।৩ ঘন্টার বেশি সময় লেগে যায় listening, reading, writing শেষ করতে।
 http://www.ielts-blog.com
এই সাইটে পাবেন recent IELTS Exam-এর প্রশ্নাবলী। 

Speaking এর জন্য দেখবেন কিউ কার্ডের টপিকস্; ভাল সাহায্য পাবেন এখান থেকে। Speaking practice-এর জন্য এক মিনিট সময়ের মধ্যে টপিকসে্র পয়েন্ট গুলো একটা স্লিপে লিখুন, তারপর ৫ মিনিট অনবরত বলে যান, মনে রাখবেন পরীক্ষায় examiner আপনার বানানের শুদ্ধতা যত না দেখবে, তার চেয়ে বেশি দেখবে আপনার অনবরত কথা বলার ক্ষমতা।

 সব শেষে পরীক্ষার ফলাফল দেখুন এখানে > http://ielts-results.britishcouncil.org/forms/frmMain.aspx

~এদিক সেদিক~

হিসটোরিকাল ফটোগ্রাফ আর সেই সাথে জানা অজানা ইতিহাস জেনে নেয়া যাবে http://photography.nationalgeographic.com/ এই সাইট থেকে মজার ব্যাপার হচ্ছে, সাথে চমৎকার সব computer desktop wallpapers.
Sun Microsystems সম্পর্কে অনেকেরই জানার আগ্রহ আছে, চলে যান www.sun.com কোম্পানির তথ্য ভান্ডার পাবেন docs.sun.com আমরা অনেকেই জানিনা যে, Sun Microsystems এর Java বা Solaris Operating System ছাড়াও রয়েছে হার্ডওয়ারের বিশাল ব্যাবসা কিছু অসাধারন technology যেমন – cool thread, logical domain, virtualization, efficiency power & cooling যেটাকে সুন্দর করে বলে Eco friendly. সব কিছুই খুজে পাবেন এই ওয়েবটিতে
মোবাইলের জন্য ভাল বা একদম নতুন theme, ringtone, sms tune ইত্যাদি দরকার, তবে দেরি না করে ঘুরে আসুন zedge.com.
প্রতিদিনের সব খবর এক নজরে দেখবার অভিপ্রায়ে, www.bdnewseveryday.com
আজকাল অনেকেই অস্ট্রেলিয়া যেতে চাচ্ছে এবং এর জন্য মাইগ্রেশন এজেন্ট এর শরনাপন্ন হচ্ছে আপনার মাইগ্রেশন এজেন্টটি MARA registered কিনা তা দেখে নিন www.mara.com.au এই সাইট থেকে এখানে নাম অনুসারে pdf file আছে, ভাল করে খুজে নিন আপনার সাহায্যকারী প্রতিষ্ঠান রেজিস্টার্ড কিনা?
২০১১ এর ডিভি লটারি শুরু হয়েছে; লটারিতে অংশ নিতে ঘুরে আসতে হবে www.dvlottery.state.gov সাইট থেকেনিয়মাবলী পাবেন এখানেঃ http://www.travel.state.gov/pdf/DV-2011instructions.pdf